
বিশেষ সংবাদদাতা :
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মাসুমা খানের মুক্তি মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের এক গুরুত্বপূর্ণ বিজয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২৮ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী মাসুমা খানকে গত অক্টোবর মাসে একটি রুটিন USCIS চেক-ইন করতে গিয়ে হঠাৎই আটক করে ICE ১৯৯৯ সালের একটি পুরনো গ্রিন কার্ড সংক্রান্ত আদেশের ভিত্তিতে।
আটক অবস্থায় চিকিৎসাহীনতা ও অমানবিক পরিবেশের অভিযোগের পর দেশজুড়ে জনতা রাস্তায় নেমে আসে। “No More Cages”, “Humanity First” স্লোগানে নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও অন্যান্য অঙ্গরাজ্যে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি দ্রুত কংগ্রেস সদস্যদের নজরে আসে; তারা ICE কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে দ্রুত বন্ড শুনানির দাবি জানান।
তার মেয়ে রিয়া খানের আবেগপূর্ণ সাক্ষাৎকার দেশজুড়ে আলোড়ন তোলে। মানবাধিকার সংগঠন, আইনজীবী ও কমিউনিটির চাপের মুখে ৫ নভেম্বর আদালত তার পক্ষে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ও তাৎক্ষণিক মুক্তির নির্দেশ দেন।
রায়ের পর পরিবারের সাথে পুনর্মিলনের মুহূর্ত ছিল আবেগঘন। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ একসঙ্গে দাঁড়ালে ন্যায়বিচারের দরজা খুলেই যায়।
আপনার মতামত লিখুন :