সৈয়দপুরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণার দাবি গোলাম পরোয়ারের


Rastrerkotha প্রকাশের সময় : ০৯/০৫/২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ /
সৈয়দপুরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণার দাবি গোলাম পরোয়ারের
27

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

উত্তরাঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরোয়ার।

শনিবার (৯ মে) সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ দাবি জানান।

মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, “উন্নয়নের ব্যাপারে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু ন্যায্যতা ও সাম্যের ভিত্তিতে উন্নয়ন হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকায় একের পর এক বরাদ্দ ও উন্নয়ন প্রকল্প দেওয়া হবে, আর অন্য অঞ্চলগুলো বঞ্চিত থাকবে এটা ন্যায্যতা নয়।”

তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। পাশাপাশি সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করলে এই অঞ্চলের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

গোলাম পরোয়ার বলেন, “ডিপ্লোম্যাটিক জোনের যে দৃষ্টিভঙ্গি এই এলাকার মানুষের চোখে পড়েছে, তাতে সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণা করা উচিত।”

গণভোট ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। “৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিয়েছে। অথচ এখন সেই গণভোটের রায় মানার বিষয়ে সরকার ও বিএনপি স্পষ্ট অবস্থান নিচ্ছে না,” বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “শুভঙ্করের ফাঁকি দিয়ে বলা হচ্ছে জুলাই সনদ মানা হবে, কিন্তু গণভোটের রায়ের কথা বলা হচ্ছে না। এতদিন তো কেউ বলেননি গণভোট বেআইনি বা রাষ্ট্রপতির আদেশের বৈধতা নেই। এখন ক্ষমতায় বসে নতুন কথা বলা হচ্ছে।”

বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, “সংকট তৈরি করেছে বিএনপি, সমাধানও করতে হবে বিএনপিকেই। ভুল রাজনীতি করলে সেই গোল নিজেদের দিকেই যাবে।”

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, “মুক্ত গণমাধ্যমের কথা বলে ক্ষমতায় এসে এখন বিরোধী মতের মিডিয়া বন্ধ করা হচ্ছে, সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে। ক্ষমতায় গেলে যে যায় লঙ্কায়, সে হয় রাবণ।”

এ সময় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে জামায়াত আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রওনা হন।