ডিমলায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মতবিনিময় সভায় ইঞ্জিনিয়ার তুহিনের ঐক্যের আহ্বান


Rastrerkotha প্রকাশের সময় : ০৫/০৮/২০২৫, ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ /
ডিমলায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মতবিনিময় সভায় ইঞ্জিনিয়ার তুহিনের ঐক্যের আহ্বান
11

নীলফামারী প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডিমলায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, ডিমলা শাখার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেলে ডিমলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ফ্রন্টের আহ্বায়ক বাবু উৎপল কান্তি সিংহ এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বাবু কনক কুমার অধিকারী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন—জেলা বিএনপির উপদেষ্টা অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক প্রবীর গুহ রিন্টু,  জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপিকা সেতারা সুলতানা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান রানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফ উল ইসলাম লিটন, সদস্য গোলাম রব্বানী প্রধান, ফ্রন্টের উপজেলা সদস্যসচিব বাবু জ্যোতি রঞ্জন রায়, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডিআর জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

এছাড়াও সভায় স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার তুহিন বলেন, “বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সারা দেশে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি সবসময় আপনাদের পাশে আছি। যেকোনো সমস্যায় আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন—সমাধানে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

সভায় বক্তারা ধর্মীয় সম্প্রীতি, সংখ্যালঘু অধিকার, এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, সকল ধর্মের মানুষ যেন সম্মানের সাথে বসবাস করতে পারে, সে পরিবেশ রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব।

এই মতবিনিময় সভাটি এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।