চট্টগ্রাম এলাকায় চোরাকারবারিদের আতঙ্কের নাম বিজিবি


Rastrerkotha প্রকাশের সময় : ২৮/১১/২০২৫, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ /
চট্টগ্রাম এলাকায় চোরাকারবারিদের আতঙ্কের নাম বিজিবি
81

রায়হান আহমেদ:

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের আমতলী থেকে রাঙামাটির জুরাছড়ির কচুতলী পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় ৫৪০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা চট্টগ্রাম রিজিয়নের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুরো রিজিয়নে ১৩টি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক প্রতিরোধ, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও মানবিক সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

চলতি মাসে চট্টগ্রাম রিজিয়নের অধীনস্থ ব্যাটালিয়নসমূহ অভিযানে ৪ জন আসামিসহ মোট ৬,৩১,৮২,৫৭৫ টাকার মালামাল আটক করেছে।

চট্টগ্রাম রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ের কার্যক্রম নিয়ে (২৭ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার সকাল দশটার দিকে পানছড়ির বিজিবি সদর দপ্তরে একটি প্রেস ব্রিফিং আয়োজন করেছে।ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন লোগাং জোনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রবিউল ইসলাম, পিপিএম।

ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ‘‎যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সীমান্তে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। চলতি মাসে রিজিয়ন এলাকা থেকে ৪৭৭ বোতল বিদেশি মদ, ৪২৯ পিস ইয়াবা, ৩৮৮.৩১ কেজি গাঁজা, ২০০ বোতল বিয়ার, বাংলা মদ তৈরির ৫২০ পিস ট্যাবলেট আটক করেছে বিজিবি। এ ছাড়া, ‎দেশি খামারিকে বাঁচানো ও সরকারি রাজস্ব রক্ষায় বিজিবি ৫০১টি গরু ও ৩৬টি ছাগল আটক করে স্থানীয় শুল্ক কার্যালয়ের মাধ্যমে নিলামে দেয়।‎

‎বিজিবি সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী কার্যক্রম, অবৈধ অস্ত্র এবং সম্প্রীতি বিনষ্টকারী অপতৎপরতা দমনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি বিজিবি অতীতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অস্ত্র–গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।
‎ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করা হয়, শান্তি প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব পালনকালে এখন পর্যন্ত ১১০ জন বিজিবি সদস্য শহীদ হয়েছেন।

‎খাগড়াছড়িতে সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় বিজিবি অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সংযম প্রদর্শন করেছে বলে ব্রিফিংয়ে জানান লে. কর্নেল মো. রবিউল ইসলাম। তিনি জানান, খাগড়াছড়ি সদর, গুইমারা ও রামগড়ে বিজিবি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। ‎