জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জয়পুরহাটে জামায়াতের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি


Rastrerkotha প্রকাশের সময় : ১২/১০/২০২৫, ১০:১৬ অপরাহ্ণ /
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জয়পুরহাটে জামায়াতের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

জয়পুরহাট সংবাদদাতা:

জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে ঘোষিত ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জয়পুরহাট জেলা শাখা।

রবিবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় শহরের আবুল কাশেম ময়দান থেকে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর ফজলুর রহমান সাইদ এবং সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটন, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম সবুজ, অ্যাডভোকেট আসলাম হোসেন, জেলা অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা আমীর মাওলানা ইমরান হোসেন, মাওলানা সুজাউল করিম, মাওলানা মুনসুর রহমান, মাওলানা শফিউল হাসান দিপু এবং মাওলানা আমিনুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা আমীর ফজলুর রহমান সাইদ বলেন, “জুলাই সনদের ভিত্তিতে ঘোষিত ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন ছাড়া জাতীয় নির্বাচন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। সরকারের উচিত নির্বাচনের পূর্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি করা এবং এর ওপর গণভোটের আয়োজন করা।”

তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে ৫ দফা বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। এ দাবিকে উপেক্ষা করা হলে জনগণ রাজপথে নেমে আন্দোলন বেগবান করবে।

অন্যান্য বক্তারাও বলেন, দেশের গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিকল্প নেই। এজন্য ৫ দফা বাস্তবায়ন অপরিহার্য।

সমাবেশ শেষে জেলা জামায়াতের প্রতিনিধিদল জেলা প্রশাসকের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন। জেলা প্রশাসক তা গ্রহণ করে জানান, দাবিপত্রটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলার আমির-সেক্রেটারি, ছাত্র ও শ্রমিক অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।