
মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর সংবাদদাতা:
অবিরাম বর্ষণ আর ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুর জেলার ভোগাই, চেল্লাখালী, মহারশি ও সোমেশ্বরীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে গেছে। এতে মহারশি নদীর রামেরকুড়া ও খৈলকুড়া এলাকায় বাঁধ ভেঙে অন্তত ১০টি গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ডুবে গেছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। সদর বাজারের প্রধান সড়ক ও দোকানপাটও প্লাবিত হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। একই সঙ্গে ডুবে গেছে বহু মাছের প্রকল্প। হঠাৎ এ বন্যা স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান জানান, আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল এবং শেরপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, স্থায়ীভাবে টেকসই বাঁধ নির্মাণ না হলে প্রতি বছর এভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।
আপনার মতামত লিখুন :