
নীলফামারী সংবাদদাতা:
উজানের ঢল ও টানা ভারি বর্ষণে নীলফামারীর উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। এতে ফসলি জমি, গবাদি পশু ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে দুঃখ-কষ্টে দিন কাটানো কয়েক হাজার পরিবারের মুখে অবশেষে স্বস্তি ফুটেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে নদীভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজ শুরু হওয়ায়।
বিশেষ করে খালিশা চাপানী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সুপরিটারি গ্রাম ও ডালিয়া বাইশপুকুর এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ছিল ভয়াবহ। স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের অভিযোগ—বসতভিটা, আবাদি জমি ও গবাদি পশু হারিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তবে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্যোগ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় জরুরি বাঁধ নির্মাণ শুরু হওয়ায় তারা কিছুটা হলেও উপকৃত হচ্ছেন।
খালিশা চাপানী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য তফেল উদ্দিন, সুরাই বেগম ও নাসিমা আক্তার জানান, “এখন সাময়িক স্বস্তি মিললেও স্থায়ী বাঁধ ছাড়া জানমাল রক্ষা সম্ভব নয়। বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।”
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী হাশেম আলী বলেন, “উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জরুরি কাজ শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।”
স্থানীয়রা আশা করছেন, এই উদ্যোগ সাময়িক স্বস্তি দিলেও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবন ও জীবিকা টিকিয়ে রাখতে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
আপনার মতামত লিখুন :