গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবীতে নীলফামারীতে ১১ দলের গণবিক্ষোভ


Rastrerkotha প্রকাশের সময় : ০২/০৫/২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ /
গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবীতে নীলফামারীতে ১১ দলের গণবিক্ষোভ
36

মো.রাজীব চৌধুরী রাজু, নীলফামারী সংবাদদাতাঃ

গণভোটের রায় ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবীতে নীলফামারীতে ১১ দলের গণবিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২ মে) বিকেলে নীলফামারী বড় মসজিদ থেকে এক বিশাল মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি প্রধান সড়ক বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ শেষে নীলফামারী চৌড়ঙ্গী মোড় হয়ে ডিসি অফিসের মোড়ে গিয়ে সমাবেশ মিলিত হয়।

সমাবেশে নীলফামারী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভাপতির বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, নীলফামারী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও শহর আমীর আনোয়ারুল ইসলাম, সদর উপজেলা আমীর আবু হানিফা শাহ, খেলাফত মজলিশের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুস সালাম, এনসিপি জেলা সদস্য সচিব ডা. কামরুল ইসলাম দর্পণ প্রমুখ।

খেলাফত মজলিশের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুস সালাম বক্তব্যে বলেন, যেদিন গন আন্দোলন শুরু হবে সএদিন সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে। অচিরে এই রায় বাস্তবায়ন না করলে জনগন সরকারে বিতাড়িত করবে। জনগন রক্ত ও জীবন দিতে রাজি আছে। গনভোটের আয় বাস্তবায় করতে জনগণ মাঠে নেমে জীবন দিতে বাধ্য হবে। সে সাথে তিনি জুলাই যোদ্ধা মরহুম ওসমান হাদী হত্যার বিচার দাবী করেন।

এনসিপি জেলা সদস্য সচিব ডা. কামরুল ইসলাম দর্পণ বক্তব্যে বলেন, ৩০ শতাংশ ভোট এর পক্ষে সরকার অবস্থান নিলে মনে করতে হবে এই অংশ টা সরকারের। ৭০% জনমত গনভোটের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে আর ৩০% এর বিপক্ষে। আর যদি ৩০% সঠিক হয় তাহলে সরকার এই পরিমান ভোট পেয়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে ক্ষমতায় গেছেন। আর যদি সরকার জুলাই সনদ চায় তাহলে জলগনের মতামতের গুরুত্ব দেবে।

জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, সংসদ সদস্যরা ২টা শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি সংসদ সদস্য এবং অন্যটা সংবিধান সংস্কার। বিএনপি সংবিধান সংস্কারের শপথ গ্রহন করেনি। বর্তমান তারা বিরোধী মতের ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের আচরণ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, আর্থিক খাতে লুটপাট শুরু করেছে। বাংলাদেশের একজন ঋন খেলাপিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দ্বায়ীত্ব দিয়ে বসিয়েছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুককির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। জনগন যেমন ক্ষমতায় বসিয়েছে তেমন নামাতেও পারে।

তিনি আরও বলেন, ১১ দলীয় জোট রাজপথে নেমেছে কারন পার্লামেন্টে উপযুক্ত সময় সুযোগ পায়নি তাই ১১ দলীয় জোট মাঠে নেমে জনগনকে সাথে নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছে। ১১দলীয় জোট চেয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং মানবাধিকার বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে হবে কিন্তু সরকারের সেটার প্রতি গুরুত্ব নেই। বাংলাদেশের জনগন একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গনভোটে অংশগ্রহন করেছেন। সরকার গণরায়কে গুরুত্ব না দিয়ে জনগন এর জবাব দেবে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত জনগন মাঠে থাকবে।