ডিমলায় অবৈধভাবে জমি জবরদখলের অভিযোগে আদালতে মামলা


Rastrerkotha প্রকাশের সময় : ১৯/১১/২০২৫, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ /
ডিমলায় অবৈধভাবে জমি জবরদখলের অভিযোগে আদালতে মামলা
84

নিজস্ব সংবাদদাতা, নীলফামারী:

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়নের উত্তর ঝুনাগাছচাপানী (কলেজ পাড়া) গ্রামে জমি অবৈধভাবে জবরদখলের অভিযোগে ডিমলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মো. ছাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মামলাটি (নং সি আর ২২১/২০২৫) দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন- দিলীপ কুমার রায় ওরফে রসনাথ রায়, অমূল্য রতন রায়, দীপক চন্দ্র রায়, নেতমা রানী রায় এবং লতা রানী রায়।

মামলার আরজি সূত্রে জানা যায়, তফসিলভুক্ত জমির পূর্ব মালিক ছিলেন ভোগানাদু বর্মন। তাঁর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে জমিটি যায় কন্যা দীনোমনি বর্মনীর কাছে। পরবর্তীতে তাঁর দুই পুত্র জ্যোতিষ চন্দ্র রায় ও কৈলাশ চন্দ্র রায় জমিটি সমান দুই ভাগে ভোগদখল করেন। জ্যোতিষ চন্দ্র রায় ১৮ শতক জমির মধ্যে তিন দফায় মোট ১৮ শতক জমি বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে বাদী ছাইদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করেন। বাদী জমি দখলে নিয়ে চারদিকে বেড়া দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন।

বাদীর অভিযোগ, আসামিরা জমির কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়া প্রায় ৪–৫ জন লোকবলসহ অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে গত ৩০ জুলাই ২০২৫ সকালে জমি জবরদখলের চেষ্টা করে। বাধা দিলে বাদীকে মারধর এবং তার স্ত্রী নুরী বেগমের শ্লীলতাহানির অভিযোগও করা হয়েছে। বাদী স্থানীয় শালিসের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে জমি দখল হয়ে গেলে তিনি আদালতের আশ্রয় নেন।

আদালতে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব ডিমলা থানার সাব ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) পরিতোষ চন্দ্র বর্মনকে দেন।

তিনি বলেন, “মামলাটি সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।”

আসামি অমূল্য রতন রায় দাবি করেন- “ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া জমি ৩৫ বছর ধরে আমরা ভোগদখল করছি। বাদী কোথা থেকে জমি কিনেছে, জানি না।”

অপরদিকে বাদী ছাইদুল ইসলাম জানান- “আমি ওয়ারিশের কাছ থেকে দলিল করে জমি কিনেছি। তাদের কোনো বৈধ কাগজ নেই; ভুয়া কাগজ দেখিয়ে জোরপূর্বক দখল করেছে। আইনের আশ্রয় নিয়েছি এবং ন্যায়ের বিচার চাই।”