
মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর সংবাদদাতাঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে শেরপুর-জামালপুর অঞ্চল থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন সুমাইয়া আলম। তিনি শেরপুর জেলা মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয়। তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পক্ষে প্রচারণা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপির রাজনীতিতে তার সম্পৃক্ততা দীর্ঘদিনের। পারিবারিকভাবেও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠা সুমাইয়া আলমের বাবা শফিকুল ইসলাম জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। জাসাস, যুবদল ও কৃষকদলসহ বিভিন্ন সংগঠনে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে জানা গেছে।
নেতাকর্মীদের মতে, দুর্দিনে রাজপথে সক্রিয় উপস্থিতি, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নারীদের বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে সোচ্চার অবস্থান তাকে সংরক্ষিত আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। ছাত্রদল নেতা মুস্তাফিজুর রহমান মুক্তা বলেন, “দলের কঠিন সময়ে সুমাইয়া আপু রাজপথে ছিলেন। আমরা তাকে এমপি হিসেবে দেখতে চাই।”
স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার পক্ষে ইতিবাচক মতামত শোনা যাচ্ছে। রহিম আলী নামে এক রিকশাচালক বলেন, “ভালো পরিবারের মেয়ে, এলাকার মানুষের জন্য কাজ করবে বলেই বিশ্বাস।”
নিজের সম্ভাব্য প্রার্থিতা প্রসঙ্গে সুমাইয়া আলম বলেন, শেরপুর একটি সীমান্তবর্তী ও তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া জেলা। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি তার অগ্রাধিকার থাকবে। তিনি বলেন, “সংসদে যাওয়ার সুযোগ পেলে নারীদের কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করবো। শেরপুরেই আমার বেড়ে ওঠা, তাই এলাকার মানুষের চাহিদা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে আমি অবগত।”
দলীয়ভাবে এখনো সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির এক সিনিয়র নেতা জানান, শেরপুর থেকে সংরক্ষিত আসনে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ এলে সুমাইয়া আলম একজন যোগ্য দাবিদার হতে পারেন।
সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন শেরপুর-জামালপুর অঞ্চলে সুমাইয়া আলমকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা ক্রমেই দৃশ্যমান হয়ে
আপনার মতামত লিখুন :