
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি উচ্চ ও নিম্ন দুই কক্ষেই পিআরের বিপক্ষে।
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত করার যে কোনো কৌশল জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে। ভোটাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক অধিকার আদায়ের জন্য মানুষ ১৬-১৭ বছর ধরে সংগ্রাম করছে। তাই অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই জাতীয় সংসদ ও সরকার গঠন করতে হবে।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত নির্বাচন না হলে দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হতে পারে। এতে জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হবে, ফ্যাসিবাদী শক্তি সুযোগ নেবে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিও হস্তক্ষেপ করতে পারে—যা জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
১৪ দলীয় জোট নিষিদ্ধের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাহী আদেশে কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে বিএনপি নয়। বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত যদি কোনো দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, তবে নির্বাচন কমিশন তা মানতে বাধ্য থাকবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে রাজনৈতিক দলকে বিচারের আওতায় আনার জন্য আইন সংশোধন করা হয়েছে।
সালাহউদ্দিন বলেন, “আমরা প্রথম রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার দাবি করেছিলাম। তারা গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য দায়ী।”
তিনি আরও জানান, অন্য কোনো দলের বিরুদ্ধেও যদি একই অভিযোগ থাকে, তা আদালতে উত্থাপন করা যেতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :