
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
যেখানেই বদলি সেখানেই ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম আর সিন্ডিকেট বানিজ্য গড়ে তোলেন সাব-রেজিস্টার লুৎফর রহমান মোল্লা। তার নজর থেকে বাদ পড়েনি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস! লুৎফর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ তুলে গণঅবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে উপজেলার সচেতন নাগরিক সমাজ।
আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে সচেতন নাগরিক সমাজের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে (ট্রাফিক মোড়) রংপুর, ডোমার, ডিমলা, ডালিয়া যাতায়াতের প্রধান সড়ক বন্ধ করে গণঅবস্থান পালন করা হয়।
সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লার অপসারণ ও দৃশ্যমান শাস্তির দাবিতে অংশ নেন ভুক্তভোগী জনসাধারণ, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।
এসময় সচেতন নাগরিক সমাজের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা সাব-রেজিস্টার লুৎফর রহমান মোল্লার অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোনো প্রকার সুরাহা না পেয়ে গণ অবস্থানে বসেছি তার দৃশ্যমান শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
ভুক্তভোগী রুস্তম আলী বলেন, ভলিউমে আমার নাম মুছে আরও ৩ জনের নাম উল্লেখ্য করার চেষ্টা করে। আমি সাব-রেজিস্টারসহ তার সহযোগীদের দৃষ্টান্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
আরেক ভুক্তভোগী বাবু বলেন, আমি দলিল লেখকের সাথে দলিল খরচের টাকা ঠিকঠাক করে পরিশোধ করি এবং সমস্ত কাগজ পত্রাদি ঠিক থাকা সত্বেও যখন সাব রেজিস্ট্রারের কাছে দলিলটি যায় তিনি বিভিন্ন ধরনের ভুল বের করেন। দলিলে কি যেনো বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেয়। পরে দলিল লেখক বলে সাহেব কে খুশি করালে দলিল টি পার হবে। বাধ্য হয়ে তার বিশেষ চিহ্নের টাকা দিয়ে জমির দলিল টি রেজিস্ট্রার করে নেই।
আয়োজকরা বলেন, “জলঢাকাকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে সবাইকে একজোট হতে হবে। স্বচ্ছ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।” ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
আপনার মতামত লিখুন :