কিডনি রোগে আক্রান্ত সাংবাদিক সাজ্জাদের পাশে দাঁড়াতে ঐক্যবদ্ধ পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব


Rastrerkotha প্রকাশের সময় : ০২/০৪/২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ /
কিডনি রোগে আক্রান্ত সাংবাদিক সাজ্জাদের পাশে দাঁড়াতে ঐক্যবদ্ধ পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব
51

বদরুদ্দোজা প্রধান, পঞ্চগড় সংবাদদাতাঃ

মানবিক দায়বদ্ধতা ও সহমর্মিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে কিডনি রোগে আক্রান্ত প্রবীণ সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে পঞ্চগড় প্রেসক্লাব ও ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব। দীর্ঘদিন ধরে জটিল কিডনি রোগে ভুগছেন তিনি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে এই গণমাধ্যমকর্মীর।

গতকাল (১ এপ্রিল) রাত ৮টায় পঞ্চগড় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে দুই জেলার প্রেসক্লাবের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রিজু, এটিএন বাংলার প্রতিনিধি ফিরোজ আলম, এখন টিভির প্রতিনিধি নাহিদ রেজা, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দার, সাবেক সভাপতি শফিকুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইনসান সাগরেদসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অচিরেই সাজ্জাদের চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি অর্থ সংগ্রহসহ সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাশাপাশি বৃহৎ অঙ্কের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে আবেদন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু বলেন, প্রথমত স্থানীয়ভাবে তিন জেলার সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে। এরপর বৃহত্তর সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন জানানো হবে।

পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, সাংবাদিকতা শুধু পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সহকর্মীর দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোও আমাদের নৈতিক কর্তব্য। সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ তার কর্মজীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন-তাই আজ তার এই কঠিন সময়ে তাকে একা ফেলে রাখা যায় না।

সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দার জানান, সাজ্জাদ দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। চিকিৎসকেরা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও অর্থাভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবারের আর্থিক অবস্থাও দুর্বল হওয়ায় চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, সবাই যদি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে আসেন, তাহলে তার চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া সহজ হবে।